শেষ কিস্তির উপন্যাস
শুভ বাবর
শরৎ রূপমাধুর্যে এক অনন্য ঋতু
অফিসপাড়ায় শীত জমছে বিদেশী কোট নেমছে ফুতপাতে
মধ্যরাতে পাওয়ার উচ্ছ্বাসে শূন্য দৃষ্টি পাতলা ঠোঁটে আঁটসাঁট ধুলো
বিশ্বাসী শরিরে আগুনের ফুলকি নাচে
দ্বিধায়গ্রস্ত আবরণে
প্রজাপতি রঙিন ডানায় বিদায় চুম্বনের সমাপ্তি উৎসব ৷
অল্প ঠাণ্ডা চোখে গরম জ্বর
কর্পোরেট সন্ধ্যায় বন্ধুত্তের শত্রুতা আঁকাবাঁকা চোখের মিলন
সস্থা নাগরের অসাব্য ভক্তি ,মেদহীন শ্বাস্বতীর কোমর আঁকড়ে ধরে
পাঁচেকের ট্রাকের ভারি ইঞ্জিন বারো ভোল্টের ব্যাটারি মত কেঁপে উঠে
নষ্ট গুহায় অসভ্য আঙুলের ইঙ্গিতে
উপরের ভারী জল নীচে নামিতে থাকে,
অদ্ভুত লোহা গরম পারদ ,তার যৌবন যেন শান-দেওয়া ছুরি
কথায় কথায় কথার বুনন ,খোলসের ভিতর সাদা আবরনে হলুদ চর ৷
সরল ধার্মিক যারা ,
তারা মাঝে মাঝে শখের গোয়েন্দাগিরি করে
পাতলা কাপড়ে বুটপালিশ করে নাস্তিকের পায়ের জুতো
ঈশ্বর বিশ্বাসীদের থাকা না
থাকার ঝগড়া চলছে কালের পরিত্যক্ত দরজায়৷
পরিশেষে মৃতপ্রায় ছেলেটা চোখের পাতা বুজলো,
বুকের মধ্যে কোথাও একটা ভারি কপাট বন্ধ হওয়া অনুভব করলো
বিছানার চাদর থেকে শরীর তুললো,
আচমকা গলা জড়িয়ে ধরে কানে ফিসফিস করে বললো :
'ডাক্তার, সংবাদ এসেছে ,আমাকে নির্দ্বিধায় মরতে দিন ৷
মৃত খাটিয়ার সাদা পাতলা চাদরে অন্তত যৌবনে ছারপোকার আক্রমণ ,
নাস্তিককেও আরবীতে জানাজা পড়ানো হলো
মাফ করে দেন বস ,ধর্ম বোদ্ধারা এখানেও জিতে গেলো ৷
No comments:
Post a Comment