মানব রূপে অক্টোপাস !!
রায়হান রানা
বিনীদ্র আঁধারে ঝুলিয়ে রেখেছি গন্তব্যের বারান্দা।
গুণে ধরা চেয়ারে দেহ এলিয়ে সোনালী স্মৃতিতে নিমজ্জিত কর্তারা।
পরিচিত সাপ গুলো খোলস পাল্টে ছোঁবল দিচ্ছে ক্রমাগত সবুজে;
রক্তিম লালে একটি সাদা অর্ধ চাঁদ এঁকে দেওয়ার বিষে।
গুপ্ত গুপ্ত হাত গুলো দানবের থাবার ছায়া নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছে
সবুজ, সতেজ, সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অলি গলি।
সহজাতীয় উন্মাদের অট্ট হাঁসিতে কুলসিত সাধারণ জনগনের বিধান।
মৌলিক অধিকার গুলো চিরচেনা মুখভার অন্ধকারে।
আজকাল চেয়ার খোকা-খুকিরা সত্যকে গ্রহণ করে উপমা-রূপকথার গল্পে।
অভ্যাসে নতজানু মেরুদণ্ডের ভার লুকিয়ে থাকে খোর্মা খেজুরে।
আর চুপসে থাকা শকুন গুলো,
স্বাধীন মানবের সিল মোহরে অংকিত করে নির্বীর্যের চাঁদ তারা।
গিরগিটিও ঈর্ষান্বিত লেবাজের পর লেবাজের বেহায়া পনায়।
ধীরে ধীরে শকুন গুলো কুকুর হয়ে বেড়ে উঠে। লালার্ত জিহ্বায় লেহন করে
৩০লক্ষ শহিদ আর ২লক্ষ মা- বোনের ইজ্জত। আশান্বিত পুনরায় হামলে পড়ার প্রতীক্ষায়।
স্বাধীন সবুজ ঘাস মাড়িয়ে বেড়ে উঠা মানব বিবেক গুলো, নপুংশকের ফাঁদে
নেকড়ে হয়ে খামচে দিচ্ছে জাতির পতাকা। চিবিয়ে খাবার অপেক্ষায়
ইতিহাসের পাতা।
উপড়ে পেলা ফলের কর্মে গাছ মরেনা। আজ সময় এখন শিকড় উপড়ে পেলার।
কলঙ্ক মুক্তির দিবস দেওয়ার। নাকি? ছেনাল সময় পুঁজি করে গুণে ধরা চেয়ারে লোভের
বেহাল্লাপনায় মত্ত হওয়ার? বড় বেশি ভয় হয় এদের। এরাই তো মানব রূপে অক্টোপাস ।
তাই নিঃশ্বাসের বুকে আশ্বাসের প্রশ্বাস ডুকিয়ে
বিনিদ্র হাজার রাত অতিক্রম করে যাচ্ছি সেই একাত্তরের
শুদ্ধ স্মৃতি খুঁজে খুঁজে। সেই সোনালী বারান্দায়।
পরিচিত সাপ গুলো খোলস পাল্টে ছোঁবল দিচ্ছে ক্রমাগত সবুজে;
রক্তিম লালে একটি সাদা অর্ধ চাঁদ এঁকে দেওয়ার বিষে।
গুপ্ত গুপ্ত হাত গুলো দানবের থাবার ছায়া নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছে
সবুজ, সতেজ, সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অলি গলি।
সহজাতীয় উন্মাদের অট্ট হাঁসিতে কুলসিত সাধারণ জনগনের বিধান।
মৌলিক অধিকার গুলো চিরচেনা মুখভার অন্ধকারে।
আজকাল চেয়ার খোকা-খুকিরা সত্যকে গ্রহণ করে উপমা-রূপকথার গল্পে।
অভ্যাসে নতজানু মেরুদণ্ডের ভার লুকিয়ে থাকে খোর্মা খেজুরে।
আর চুপসে থাকা শকুন গুলো,
স্বাধীন মানবের সিল মোহরে অংকিত করে নির্বীর্যের চাঁদ তারা।
গিরগিটিও ঈর্ষান্বিত লেবাজের পর লেবাজের বেহায়া পনায়।
ধীরে ধীরে শকুন গুলো কুকুর হয়ে বেড়ে উঠে। লালার্ত জিহ্বায় লেহন করে
৩০লক্ষ শহিদ আর ২লক্ষ মা- বোনের ইজ্জত। আশান্বিত পুনরায় হামলে পড়ার প্রতীক্ষায়।
স্বাধীন সবুজ ঘাস মাড়িয়ে বেড়ে উঠা মানব বিবেক গুলো, নপুংশকের ফাঁদে
নেকড়ে হয়ে খামচে দিচ্ছে জাতির পতাকা। চিবিয়ে খাবার অপেক্ষায়
ইতিহাসের পাতা।
উপড়ে পেলা ফলের কর্মে গাছ মরেনা। আজ সময় এখন শিকড় উপড়ে পেলার।
কলঙ্ক মুক্তির দিবস দেওয়ার। নাকি? ছেনাল সময় পুঁজি করে গুণে ধরা চেয়ারে লোভের
বেহাল্লাপনায় মত্ত হওয়ার? বড় বেশি ভয় হয় এদের। এরাই তো মানব রূপে অক্টোপাস ।
তাই নিঃশ্বাসের বুকে আশ্বাসের প্রশ্বাস ডুকিয়ে
বিনিদ্র হাজার রাত অতিক্রম করে যাচ্ছি সেই একাত্তরের
শুদ্ধ স্মৃতি খুঁজে খুঁজে। সেই সোনালী বারান্দায়।
No comments:
Post a Comment