গর্বিত আমি বাঙালি
কুয়াশা
ও মাঝি দাঁড়াও...
ধিরে ধিরে বেয়ে যাও গোধূলির জলে।
গাঙশালিকের গাঙে সবুজের প্রতিচ্ছবি ছাপিয়ে
লাল সিঁদুর পড়েছে বাংলা বধু আমার,
ধিরে যাও বহতা তরী, ধিরে ধিরে বয়ে যাও।
উজান-ভাটীর দ্বন্দ কারনে বেলা ডুবে যায় ডাহুকের গানে।
সোনার শব্দাবলী জেগে ওঠে
কোজাগরী চাঁদের মত
হাস্নাহেনার গন্ধের মত
যুবতী নাগিনীর নাগমনির মত পরশ পাথরে মোড়ানো
কবিতার বর্ণমালা, আমার বাংলাদেশ।
এসো মাঝি, গানের গন্ধ নেই।
এখানে মোরগ গায় ঘুম ভাঙানির গান
সেই গানের তানে সুর মেলায় মুয়াজ্জিনের আযান,
এসো নোঙর কর এ চিরদুপুরের ঘাটে।
লজ্জাপতি চোখতুলে চেয়ে থাকে অচেনা আগন্তুকের চোখে
বাহারি ফুলের সমাবেশে মুচকি হাসে যুবতি গোলাপ
কাঠবিড়ালির ছোট্ট কুঁড়েতে শব্দরা বৈরাগ্য গায়
আর সে সুনিপুণ রাগে বেজে ওঠে ইদ্রিস ফকিরের
বিজয় শিঙা... বাজাও বাংলা বাজও সে অমরত্বের গান।
কবিতার বীজে নান্দনিক চারা হবে দেখে নিও মাটি।
শব্দভুক কবিতারা আবার জাগবে স্বদেশী স্বরে,
মা-মাটির কাব্যজাগানিয়া আমার ধমনীর অলংকার
এ বাতাস আমার শব্দের বিরানভূমি
চাষের ভুঁইয়ে লাঙল চাষা আমার ভাই
দেখে নাও অচিন মাঝি,
শেষ বিদায়ের মাঠ
আমি বাংলার মাটি, কাঁদামাটি জল
আমায় ছুঁয়ে ছুঁয়ে গর্বিত, আমি বাঙালি।
ধিরে যাও বহতা তরী, ধিরে ধিরে বয়ে যাও।
উজান-ভাটীর দ্বন্দ কারনে বেলা ডুবে যায় ডাহুকের গানে।
সোনার শব্দাবলী জেগে ওঠে
কোজাগরী চাঁদের মত
হাস্নাহেনার গন্ধের মত
যুবতী নাগিনীর নাগমনির মত পরশ পাথরে মোড়ানো
কবিতার বর্ণমালা, আমার বাংলাদেশ।
এসো মাঝি, গানের গন্ধ নেই।
এখানে মোরগ গায় ঘুম ভাঙানির গান
সেই গানের তানে সুর মেলায় মুয়াজ্জিনের আযান,
এসো নোঙর কর এ চিরদুপুরের ঘাটে।
লজ্জাপতি চোখতুলে চেয়ে থাকে অচেনা আগন্তুকের চোখে
বাহারি ফুলের সমাবেশে মুচকি হাসে যুবতি গোলাপ
কাঠবিড়ালির ছোট্ট কুঁড়েতে শব্দরা বৈরাগ্য গায়
আর সে সুনিপুণ রাগে বেজে ওঠে ইদ্রিস ফকিরের
বিজয় শিঙা... বাজাও বাংলা বাজও সে অমরত্বের গান।
কবিতার বীজে নান্দনিক চারা হবে দেখে নিও মাটি।
শব্দভুক কবিতারা আবার জাগবে স্বদেশী স্বরে,
মা-মাটির কাব্যজাগানিয়া আমার ধমনীর অলংকার
এ বাতাস আমার শব্দের বিরানভূমি
চাষের ভুঁইয়ে লাঙল চাষা আমার ভাই
দেখে নাও অচিন মাঝি,
শেষ বিদায়ের মাঠ
আমি বাংলার মাটি, কাঁদামাটি জল
আমায় ছুঁয়ে ছুঁয়ে গর্বিত, আমি বাঙালি।
No comments:
Post a Comment